বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই। যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার। অর্থনীতিতে সাম্য ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
আজ রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই এসেছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই সেশনের প্রতিপাদ্য হলো- ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের মানসিকতাকেই ধারণ করে।’ মির্জা ফখরুল বলেন, এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সরকার নতুন সম্ভাবনার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র ১০০ দিনের কিছু বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ও আকাক্সক্ষা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।’
এর আগে সকালে যুবদলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করাই সরকারের লক্ষ্য।’
এসময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চায় বলেও জানান তিনি।-বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















