ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন এবং জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই।

রাজধানীর মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা খাতের জন্য চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট গত অর্থবছরের ৮৮ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয়। এবার আমরা ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেয়েছি। গত বছর ৮৮ হাজার কোটি টাকা ছিল। তবে তখন রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কিছু ব্যয় একত্রে যুক্ত করা হয়েছিল, এবার তা করা হয়নি। আমরা ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়াবো।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ এত বিশাল সম্পদের দেশ, এত সুন্দর দেশ। আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো? একটি ক্ষেত্রেই আমরা পিছিয়ে আছি, সেটি শিক্ষা খাত। শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ঘটাতে পারলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। জনসংখ্যাকে অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপও করেন তিনি।

ড. মিলন জানান, দেশে ফিরে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। পরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বলেন, ‘দেশকে সেবা করার জন্যই দেশে ফিরেছিলাম, দুর্নীতির জন্য নয়। দুর্নীতির জন্য আমি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিনি।’

শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র বা ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন এবং জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই।

রাজধানীর মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েশন ডিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা খাতের জন্য চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট গত অর্থবছরের ৮৮ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয়। এবার আমরা ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেয়েছি। গত বছর ৮৮ হাজার কোটি টাকা ছিল। তবে তখন রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কিছু ব্যয় একত্রে যুক্ত করা হয়েছিল, এবার তা করা হয়নি। আমরা ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়াবো।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ এত বিশাল সম্পদের দেশ, এত সুন্দর দেশ। আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো? একটি ক্ষেত্রেই আমরা পিছিয়ে আছি, সেটি শিক্ষা খাত। শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ঘটাতে পারলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। জনসংখ্যাকে অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপও করেন তিনি।

ড. মিলন জানান, দেশে ফিরে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। পরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বলেন, ‘দেশকে সেবা করার জন্যই দেশে ফিরেছিলাম, দুর্নীতির জন্য নয়। দুর্নীতির জন্য আমি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিনি।’

শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র বা ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী।