ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শ্রমিকদের দাবি শুনতে বিমানবন্দর সড়কে আমিনুল হক ও এস এম জাহাঙ্গীর

  • হাফিজুর রহমান
  • প্রকাশ : ০৬:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫২৪ বার পড়া হয়েছে

বেতন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাকশ্রমিকেরা। শ্রমিকদের দাবিদাওয়া শুনে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট নেতারা।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে এবং সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে ঘটনাস্থলে যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হাজী মো. মোস্তফা জামান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁরা শ্রমিকদের অবরোধস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁদের দাবিদাওয়া শোনেন এবং চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শ্রমিকদের সমস্যা সরাসরি শুনে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়াই ছিল তাঁদের এ সরেজমিন উপস্থিতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তাঁদের দাবিগুলো বোঝা এবং সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ডিএনসিসি প্রশাসক ও বিএনপির সাবেক এই নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া শোনা এবং সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শ্রমিকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসে।

তবে শ্রমিকদের উত্থাপিত সব দাবির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কি না এবং সড়ক অবরোধ কখন প্রত্যাহার করা হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

রূপগঞ্জ ও দাউদপুরে ইউপি নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শ্রমিকদের দাবি শুনতে বিমানবন্দর সড়কে আমিনুল হক ও এস এম জাহাঙ্গীর

প্রকাশ : ০৬:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বেতন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাকশ্রমিকেরা। শ্রমিকদের দাবিদাওয়া শুনে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট নেতারা।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে এবং সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে ঘটনাস্থলে যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হাজী মো. মোস্তফা জামান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁরা শ্রমিকদের অবরোধস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁদের দাবিদাওয়া শোনেন এবং চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শ্রমিকদের সমস্যা সরাসরি শুনে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়াই ছিল তাঁদের এ সরেজমিন উপস্থিতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তাঁদের দাবিগুলো বোঝা এবং সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ডিএনসিসি প্রশাসক ও বিএনপির সাবেক এই নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া শোনা এবং সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শ্রমিকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসে।

তবে শ্রমিকদের উত্থাপিত সব দাবির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কি না এবং সড়ক অবরোধ কখন প্রত্যাহার করা হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।