ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন: আগস্টে সড়কে ঝরেছে ৪৮১ প্রাণ

বিদায়ী আগস্ট মাসে সারা দেশে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৬৪ জন অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১৫ দশমিক ৫১ জন নিহত হয়েছেন। গত জুলাইয়ে এ সংখ্যাটি ছিল ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। সে হিসাবে আগস্টে প্রাণহানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সড়কের পাশাপাশি একই সময়ে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৩৪টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৬১ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু। এর মধ্যে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

আর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও নিহত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগটিতে ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটে বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন মারা যান।

একক জেলা হিসেবে বগুড়ায় সর্বোচ্চ ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে রাজধানীতে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত গতি ও অসচেতনতাকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে সংস্থাটি এনআরএসসি পুনর্গঠন, প্রযুক্তির নজরদারি এবং সার্ভিস রোড নির্মাণসহ ১২ দফা সুপারিশ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন: আগস্টে সড়কে ঝরেছে ৪৮১ প্রাণ

প্রকাশ : ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদায়ী আগস্ট মাসে সারা দেশে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৬৪ জন অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১৫ দশমিক ৫১ জন নিহত হয়েছেন। গত জুলাইয়ে এ সংখ্যাটি ছিল ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। সে হিসাবে আগস্টে প্রাণহানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সড়কের পাশাপাশি একই সময়ে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৩৪টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৬১ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু। এর মধ্যে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

আর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও নিহত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগটিতে ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটে বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন মারা যান।

একক জেলা হিসেবে বগুড়ায় সর্বোচ্চ ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে রাজধানীতে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত গতি ও অসচেতনতাকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে সংস্থাটি এনআরএসসি পুনর্গঠন, প্রযুক্তির নজরদারি এবং সার্ভিস রোড নির্মাণসহ ১২ দফা সুপারিশ করেছে।