ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোনের তার চুরি: গ্রেপ্তার ২

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোন সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ তামার তার চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং চোরাই তামার তার উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সিটিটিসির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন যে, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরি করেন। পরে গত ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রেজাকুলের তথ্য অনুযায়ী হোসেনী দালান রোড এলাকার একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা আজ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এই রহস্য উদঘাটন করেছি। সংশ্লিষ্ট রঞ্জন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছি। এছাড়া ৮ কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে একটি ভাঙারির দোকান থেকে, যেখানে তার বিক্রি করেছিল রঞ্জন। ভাঙারির দোকান মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত ১ জুন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা অফিসে এসে দেখতে পান গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন লাইনগুলো বিকল হয়ে পড়েছে। সচিবালয়ের পুরাতন ২ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত টেলিযোগাযোগের মূল্যবান কপার ক্যাবল বিভিন্ন স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়।

কিছু স্থানে তার কাটা ছিল, আবার কোথাও সম্পূর্ণ উধাও ছিল। এতে শুধু সাধারণ টেলিফোন সংযোগই নয়, বরং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রেড টেলিফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোনের তার চুরি: গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ : ০৫:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোন সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ তামার তার চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং চোরাই তামার তার উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সিটিটিসির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন যে, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরি করেন। পরে গত ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রেজাকুলের তথ্য অনুযায়ী হোসেনী দালান রোড এলাকার একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা আজ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। এই রহস্য উদঘাটন করেছি। সংশ্লিষ্ট রঞ্জন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছি। এছাড়া ৮ কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে একটি ভাঙারির দোকান থেকে, যেখানে তার বিক্রি করেছিল রঞ্জন। ভাঙারির দোকান মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত ১ জুন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা অফিসে এসে দেখতে পান গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন লাইনগুলো বিকল হয়ে পড়েছে। সচিবালয়ের পুরাতন ২ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত টেলিযোগাযোগের মূল্যবান কপার ক্যাবল বিভিন্ন স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়।

কিছু স্থানে তার কাটা ছিল, আবার কোথাও সম্পূর্ণ উধাও ছিল। এতে শুধু সাধারণ টেলিফোন সংযোগই নয়, বরং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রেড টেলিফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।