জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-জনতার আন্দোলন বেগবান করতে জেলা যুবদলের নেতা আবু মোহাম্মদ মাসুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে দাবি করেছেন বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। তাদের ভাষ্য, আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি তরুণদের রাজপথে সম্পৃক্ত করতে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করেন।
নেতাকর্মীদের দাবি, বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আবু মোহাম্মদ মাসুমকে সামনের সারিতে দেখা গেছে। তিনি বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং আন্দোলনের সমন্বয়ে ভূমিকা রাখেন।
তাদের ভাষ্য, জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন বিস্তৃত করতে এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি মাঠপর্যায়ে নিরলস কাজ করেন। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তার ধারাবাহিক উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, পাশাপাশি এশিয়ান হাইওয়েকেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলোতে মাসুমের সক্রিয় ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাদের দাবি, তরুণদের সংগঠিত করা, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বয় করা এবং রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নেতাকর্মীদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের আন্দোলনের ইতিহাসে আবু মোহাম্মদ মাসুমের ভূমিকা দলীয় কর্মীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 


















