ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন বিএনপির এমপির ছেলে

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার(২১ জুন) গভীর রাতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওই এলাকার একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

সোমবার (২২ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের ( ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। সেই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

সজীব নিজে জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ ও একাধিক শিল্পকারখানার সূত্র বলছে, সিদ্ধিরগঞ্জ, সোনারগাঁও ও কাঁচপুর এলাকার বিভিন্ন শিল্পকারখানার মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সজীবের বিরুদ্ধে। চাহিদামতো টাকা না পেলে কারখানার পণ্যবাহী যানবাহন আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী দুবছর সময় ‘কঠিন’ যাবে: অর্থমন্ত্রী

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন বিএনপির এমপির ছেলে

প্রকাশ : ০৫:১৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার(২১ জুন) গভীর রাতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওই এলাকার একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

সোমবার (২২ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের ( ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। সেই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

সজীব নিজে জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ ও একাধিক শিল্পকারখানার সূত্র বলছে, সিদ্ধিরগঞ্জ, সোনারগাঁও ও কাঁচপুর এলাকার বিভিন্ন শিল্পকারখানার মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সজীবের বিরুদ্ধে। চাহিদামতো টাকা না পেলে কারখানার পণ্যবাহী যানবাহন আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।