ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ, উপকূলে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপে’ পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার আবহাওয়া দপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

লঘুচাপটির গতিপ্রকৃতি ও বাংলাদেশে এর প্রভাব নিয়ে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির গণমাধ্যমকে বলেন, “এটা আসলে পশ্চিমবঙ্গ- ওডিশা উপকূলের ওপর দিয়ে যাবে। আমাদের এখানে কিছু ‘প্রেসার গ্রেডিয়েন্টের’ কারণে প্রভাব থাকবে।” লঘুচাপটি আরো শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা কম, বলেন তিনি।

বাংলাদেশে তীব্র ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই তুলে ধরে তরিফুল নেওয়াজ বলেন, “আমরা ডান পাশে থাকায় কিছুটা প্রভাব তো পড়বেই। তবে সেটার মূল প্রভাব হবে বৃষ্টি।”

বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে শনিবার ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপে’ রূপ নিল। এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, পঞ্চগড়, কুঁড়িগ্রাম, ফেনী ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ, উপকূলে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

প্রকাশ : ০৬:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপে’ পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার আবহাওয়া দপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

লঘুচাপটির গতিপ্রকৃতি ও বাংলাদেশে এর প্রভাব নিয়ে আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির গণমাধ্যমকে বলেন, “এটা আসলে পশ্চিমবঙ্গ- ওডিশা উপকূলের ওপর দিয়ে যাবে। আমাদের এখানে কিছু ‘প্রেসার গ্রেডিয়েন্টের’ কারণে প্রভাব থাকবে।” লঘুচাপটি আরো শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা কম, বলেন তিনি।

বাংলাদেশে তীব্র ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই তুলে ধরে তরিফুল নেওয়াজ বলেন, “আমরা ডান পাশে থাকায় কিছুটা প্রভাব তো পড়বেই। তবে সেটার মূল প্রভাব হবে বৃষ্টি।”

বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে শনিবার ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপে’ রূপ নিল। এদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, পঞ্চগড়, কুঁড়িগ্রাম, ফেনী ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।