ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণে শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস’ নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে বুধবার (১৭ জুন) তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে, কাজ দ্রুত হবে বলে আশা করছেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কিছুক্ষণ আগে আমি সচিব সাহেবের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি বলছিলেন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস হতে হতে আমরা নাকি ফসিল হয়ে যাব। আমি বললাম, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি, এক বছরের মধ্যে অন্তত একটি হল যেন সম্পূর্ণ করা যায়।”

জগন্নাথের প্রতি ‘সুনজর’ দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “পাশেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কোয়ার্টার রয়েছে। কতটুকু জায়গা আছে জানি না, তবে যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর কিছুটা বাড়ানো যায়, তাহলে কোনো সমস্যা থাকবে না। ভবনগুলো যদি ৩০ বছরের পুরোনো হয়, তবে সেগুলো ভেঙে ফেলতেও সমস্যা হবে না। বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য এটি একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের সরকার অবশ্যই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি সুনজর দেবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এদিন দুপুরে প্রথমবারের মত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কথা বলছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

স্নাতকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের কৃতিত্ব হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষাবর্ষের সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ১০৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমিন এবং শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মো. মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।

শিক্ষার্থীদের ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান শেষে একে একে বক্তব্য দেন অতিথিরা।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজ যারা ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন, তারা অনুপ্রাণিত হলেন। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “অনেক উন্নত দেশে জনসংখ্যার ঘাটতি রয়েছে, আর আমাদের দেশে মৃত্যুহারের চেয়ে জন্মহার বেশি। এই বিশাল জনসংখ্যাই আমাদের সম্পদ, আর একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরা। এ বিষয়ে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থারও।”

খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, “অনেকেই শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্বলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তবুও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবার ক্ষমতায় এসে কাজ করা হচ্ছে, যেন শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো আঘাত না আসে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই তিনি এ খাতে ৫ শতাংশ বাজেট রেখেছেন। শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট আগামীর শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক বলেন, “জাতির শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ শিক্ষক আপনারা। আমার সন্তান আমার কথা না শুনলেও আপনাদের কথা শোনে। আমরা আপনাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য সর্বোত্তম বরাদ্দ দিয়েছি, আর বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়ে উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সামর্থ্য আছে, তার সবটুকু দিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করব।”

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, খালেদা জিয়ার হাতে গড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসনসহ নানামুখী ‘সংকটে ভুগছে’। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা চাকরিসহ প্রতিযোগিতার সব ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখছে বলে প্রশংসা করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, “আজকের এই মুহূর্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ডিন’স অ্যাওয়ার্ড নীতিমালা ২০২২ সালে প্রণয়ন করা হলেও এতদিন এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়নি। চার বছর পর এসে উপাচার্য হিসেবে আমার হাতেই এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

তিনি বলেন, “শিক্ষা বিস্তারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অনবদ্য অবদান রেখেছে। এত দুর্দশার মধ্যেও আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনা করছে, যা অকল্পনীয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে বহুবার প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এসআইসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায়ও তারা সর্বোচ্চ সংখ্যায় নিয়োগ পেয়েছে। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া হওয়ার কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকার এ প্রতিষ্ঠানের আবাসনসহ অন্যান্য কাঠামোগত উন্নয়ন করেনি। বেগম জিয়ার সরকার আবার ফিরে এসেছে। আমি থাকাকালীন যেন শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরিপূর্ণ করতে পারি, সেজন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সায়েন্টিফিক আমেরিকানের ‘উদীয়মান বিজ্ঞানী’ তালিকায় বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণে শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস

প্রকাশ : ০৬:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস’ নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে বুধবার (১৭ জুন) তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে, কাজ দ্রুত হবে বলে আশা করছেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কিছুক্ষণ আগে আমি সচিব সাহেবের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি বলছিলেন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস হতে হতে আমরা নাকি ফসিল হয়ে যাব। আমি বললাম, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি, এক বছরের মধ্যে অন্তত একটি হল যেন সম্পূর্ণ করা যায়।”

জগন্নাথের প্রতি ‘সুনজর’ দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “পাশেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কোয়ার্টার রয়েছে। কতটুকু জায়গা আছে জানি না, তবে যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর কিছুটা বাড়ানো যায়, তাহলে কোনো সমস্যা থাকবে না। ভবনগুলো যদি ৩০ বছরের পুরোনো হয়, তবে সেগুলো ভেঙে ফেলতেও সমস্যা হবে না। বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য এটি একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের সরকার অবশ্যই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি সুনজর দেবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এদিন দুপুরে প্রথমবারের মত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কথা বলছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

স্নাতকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের কৃতিত্ব হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষাবর্ষের সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ১০৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমিন এবং শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মো. মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।

শিক্ষার্থীদের ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান শেষে একে একে বক্তব্য দেন অতিথিরা।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজ যারা ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন, তারা অনুপ্রাণিত হলেন। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “অনেক উন্নত দেশে জনসংখ্যার ঘাটতি রয়েছে, আর আমাদের দেশে মৃত্যুহারের চেয়ে জন্মহার বেশি। এই বিশাল জনসংখ্যাই আমাদের সম্পদ, আর একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরা। এ বিষয়ে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থারও।”

খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, “অনেকেই শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্বলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তবুও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবার ক্ষমতায় এসে কাজ করা হচ্ছে, যেন শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো আঘাত না আসে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই তিনি এ খাতে ৫ শতাংশ বাজেট রেখেছেন। শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট আগামীর শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক বলেন, “জাতির শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ শিক্ষক আপনারা। আমার সন্তান আমার কথা না শুনলেও আপনাদের কথা শোনে। আমরা আপনাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য সর্বোত্তম বরাদ্দ দিয়েছি, আর বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়ে উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সামর্থ্য আছে, তার সবটুকু দিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করব।”

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, খালেদা জিয়ার হাতে গড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসনসহ নানামুখী ‘সংকটে ভুগছে’। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা চাকরিসহ প্রতিযোগিতার সব ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখছে বলে প্রশংসা করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, “আজকের এই মুহূর্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ডিন’স অ্যাওয়ার্ড নীতিমালা ২০২২ সালে প্রণয়ন করা হলেও এতদিন এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়নি। চার বছর পর এসে উপাচার্য হিসেবে আমার হাতেই এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

তিনি বলেন, “শিক্ষা বিস্তারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অনবদ্য অবদান রেখেছে। এত দুর্দশার মধ্যেও আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনা করছে, যা অকল্পনীয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে বহুবার প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এসআইসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায়ও তারা সর্বোচ্চ সংখ্যায় নিয়োগ পেয়েছে। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া হওয়ার কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকার এ প্রতিষ্ঠানের আবাসনসহ অন্যান্য কাঠামোগত উন্নয়ন করেনি। বেগম জিয়ার সরকার আবার ফিরে এসেছে। আমি থাকাকালীন যেন শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরিপূর্ণ করতে পারি, সেজন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”