ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অক্টোবরে জ্বালানি আমদানিতে এলসি-জটিলতার শঙ্কা

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমূল্য এবং দেশের বাজারে সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় না করায় চরম আর্থিক চাপে পড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সরকার জরুরি ভিত্তিতে অর্থায়নের ব্যবস্থা না করলে আগামী অক্টোবরে জ্বালানি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে বড় ধরনের তহবিল সংকটে পড়তে পারে সংস্থাটি। বর্তমানে বিপিসির কাছে যে ১২ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন রয়েছে, তা দিয়ে কেবল সেপ্টেম্বরের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে বিপিসি জানিয়েছে, গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি আমদানিতে তাদের ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

এছাড়া গত বছরের (২০২৫) জুন থেকে ইনভয়েস মূল্যের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক-কর নির্ধারণ করায় প্রতি লিটারে করের বোঝা ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। এই ঘাটতি সামাল দিতে বিপিসি ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন- ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট-২) তহবিল থেকে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে, ফলে প্রকল্পগুলোর অ্যাকাউন্টেও এখন অর্থ তলানিতে।

সংকট কাটাতে সরকারের কাছে বকেয়া ভর্তুকি পরিশোধ, পূর্বের শুল্ক কাঠামো পুনর্বহাল অথবা সাময়িক কর মওকুফ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছে বিপিসি।

এ বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই এই তহবিল সংকটের সমাধান হবে।

সূত্র: ডেইলি স্টার

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের খসড়া মানলে অনেক আগেই বিতর্কমুক্ত হতো জামায়াত

অক্টোবরে জ্বালানি আমদানিতে এলসি-জটিলতার শঙ্কা

প্রকাশ : ০৪:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমূল্য এবং দেশের বাজারে সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় না করায় চরম আর্থিক চাপে পড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সরকার জরুরি ভিত্তিতে অর্থায়নের ব্যবস্থা না করলে আগামী অক্টোবরে জ্বালানি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে বড় ধরনের তহবিল সংকটে পড়তে পারে সংস্থাটি। বর্তমানে বিপিসির কাছে যে ১২ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন রয়েছে, তা দিয়ে কেবল সেপ্টেম্বরের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে বিপিসি জানিয়েছে, গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি আমদানিতে তাদের ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

এছাড়া গত বছরের (২০২৫) জুন থেকে ইনভয়েস মূল্যের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক-কর নির্ধারণ করায় প্রতি লিটারে করের বোঝা ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। এই ঘাটতি সামাল দিতে বিপিসি ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের (যেমন- ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট-২) তহবিল থেকে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে, ফলে প্রকল্পগুলোর অ্যাকাউন্টেও এখন অর্থ তলানিতে।

সংকট কাটাতে সরকারের কাছে বকেয়া ভর্তুকি পরিশোধ, পূর্বের শুল্ক কাঠামো পুনর্বহাল অথবা সাময়িক কর মওকুফ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছে বিপিসি।

এ বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই এই তহবিল সংকটের সমাধান হবে।

সূত্র: ডেইলি স্টার