ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে এপিবিএনের ৩৯৮ সদস্যকে একযোগে বদলি

কক্সবাজারে কর্মরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ৩৯৮ সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। তার কারণ হিসেবে কোনকিছু উল্লেখ্য না করলেও সম্প্রতি ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এক সদস্য আটকের পর নড়েচড়ে বসে এপিবিএন প্রশাসন৷ ধারণা করা হচ্ছে মাদক সম্পৃক্ততা এড়াতে চট্টগ্রামে বিভাগে নিজ বাড়ি এমন সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে৷

১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর পৃথক দুইটি পত্রে এসব সদস্যদের প্রত্যাহার করে অন্যত্র বদলি করা হয়৷ যাদের বেশিরভাগই টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৬ এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন।

টেকনাফের ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক কাওসার সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদেশে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা বা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এপিবিএন সদস্যদের বিভিন্ন জেলায় বদলী করা হয়েছে। তিনি বিষয়টিকে নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে দেখছেন।

মাদক সম্পৃক্ততা বা একযোগে এতো বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান৷ তিনি বলেন, তার দায়িত্বরত অবস্থায় একজনকে তিনি মাদক সংশ্লিষ্টতায় পেয়েছেন, সেই সদস্য এখন জেলে আছেন।

সম্প্রতি মোটরসাইকেলে করে ইয়াবা পাচারকালে এপিবিএনের বেশ কয়েকজন সদস্য বিভিন্ন আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন। এর আগেও এপিবিএনের সদস্য ইয়াবার বড় চালান নিয়ে পাচারকালে স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ইয়াবা নিয়ে এপিবিএন সদস্য আটকের পর থেকে জনমনে নেতিবাচক আলাপ আলোচনা চলছে। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

এরআগে-মাদক ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ (বর্তমানে এসআরবি)র অধিনায়ক, উপ-অধিনায়কসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে সরিয়ে নেয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের খসড়া মানলে অনেক আগেই বিতর্কমুক্ত হতো জামায়াত

কক্সবাজারে এপিবিএনের ৩৯৮ সদস্যকে একযোগে বদলি

প্রকাশ : ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারে কর্মরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ৩৯৮ সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। তার কারণ হিসেবে কোনকিছু উল্লেখ্য না করলেও সম্প্রতি ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এক সদস্য আটকের পর নড়েচড়ে বসে এপিবিএন প্রশাসন৷ ধারণা করা হচ্ছে মাদক সম্পৃক্ততা এড়াতে চট্টগ্রামে বিভাগে নিজ বাড়ি এমন সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে৷

১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর পৃথক দুইটি পত্রে এসব সদস্যদের প্রত্যাহার করে অন্যত্র বদলি করা হয়৷ যাদের বেশিরভাগই টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৬ এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন।

টেকনাফের ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক কাওসার সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদেশে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা বা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এপিবিএন সদস্যদের বিভিন্ন জেলায় বদলী করা হয়েছে। তিনি বিষয়টিকে নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে দেখছেন।

মাদক সম্পৃক্ততা বা একযোগে এতো বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান৷ তিনি বলেন, তার দায়িত্বরত অবস্থায় একজনকে তিনি মাদক সংশ্লিষ্টতায় পেয়েছেন, সেই সদস্য এখন জেলে আছেন।

সম্প্রতি মোটরসাইকেলে করে ইয়াবা পাচারকালে এপিবিএনের বেশ কয়েকজন সদস্য বিভিন্ন আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন। এর আগেও এপিবিএনের সদস্য ইয়াবার বড় চালান নিয়ে পাচারকালে স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ইয়াবা নিয়ে এপিবিএন সদস্য আটকের পর থেকে জনমনে নেতিবাচক আলাপ আলোচনা চলছে। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

এরআগে-মাদক ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ (বর্তমানে এসআরবি)র অধিনায়ক, উপ-অধিনায়কসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে সরিয়ে নেয়া হয়।