ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’, নির্মোহ ইতিহাস চর্চার উদ্যোগ

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে নতুন অধ্যায় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ঐতিহাসিক নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’। সেই সঙ্গে তাঁর তৎকালীন একটি ডায়েরির ছবিও বইটিতে যুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।

গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অতীতে চর্চিত একপাক্ষিক ইতিহাসের অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যাঁর যতটুকু অবদান, তা সম্পূর্ণ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই নিবন্ধ অন্তর্ভুক্তির ফলে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস এবং রণাঙ্গনের প্রত্যক্ষ স্মৃতি সম্পর্কে বিশদভাবে জানার সুযোগ পাবে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত গদ্যের লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রবন্ধটির শুরুতে একটি ব্যাখ্যামূলক অংশে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমদের পাশাপাশি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মূল প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চট্টগ্রামের উত্তাল পরিস্থিতি, পাকিস্তানি বাহিনীর ষড়যন্ত্র, ‘উই রিভোল্ট’ বলে সশস্ত্র বিদ্রোহের সূচনা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ দেওয়া ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণার রোমাঞ্চকর স্মৃতিচারণ তুলে ধরা হয়েছে।

এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতির চরম সংকটের মুহূর্তে সামরিক বাহিনীর বিদ্রোহ ও সম্মুখসমরের অনন্য ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে বলে আশা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়তে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি

পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’, নির্মোহ ইতিহাস চর্চার উদ্যোগ

প্রকাশ : ০৩:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে নতুন অধ্যায় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ঐতিহাসিক নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’। সেই সঙ্গে তাঁর তৎকালীন একটি ডায়েরির ছবিও বইটিতে যুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।

গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অতীতে চর্চিত একপাক্ষিক ইতিহাসের অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যাঁর যতটুকু অবদান, তা সম্পূর্ণ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই নিবন্ধ অন্তর্ভুক্তির ফলে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস এবং রণাঙ্গনের প্রত্যক্ষ স্মৃতি সম্পর্কে বিশদভাবে জানার সুযোগ পাবে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত গদ্যের লেখক পরিচিতি অংশে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রবন্ধটির শুরুতে একটি ব্যাখ্যামূলক অংশে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমদের পাশাপাশি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মূল প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চট্টগ্রামের উত্তাল পরিস্থিতি, পাকিস্তানি বাহিনীর ষড়যন্ত্র, ‘উই রিভোল্ট’ বলে সশস্ত্র বিদ্রোহের সূচনা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ দেওয়া ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণার রোমাঞ্চকর স্মৃতিচারণ তুলে ধরা হয়েছে।

এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতির চরম সংকটের মুহূর্তে সামরিক বাহিনীর বিদ্রোহ ও সম্মুখসমরের অনন্য ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে বলে আশা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।