হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। এনসিপির মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এছাড়া দলটির ফেসবুক পেইজ থেকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও-ও পোস্ট করা হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীঙ্গলের রাস্তা আটকে মানব ঢাল তৈরি করে রেখেছে পুলিশের সদস্যরা। সারিবদ্ধ দাঁড় করে রাখা হয়েছে এনসিপির গাড়িবহর। এতে ওই পথ দিয়ে চলাচলকারী বেশ কিছু গণপরিবহনও আটকে গেছে।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, গাড়িবহর আটকে দেওয়ার পর গাড়ি থেকে নেমে পুলিশ সদস্যদের কাছে এগিয়ে যাচ্ছেন এনসিপি দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
এসময় তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা মামলা করতে যাচ্ছি। আপনারা পথ আটকাচ্ছেন কেন?’ গতকালকের ঘটনায় আপনারা কাউকে গ্রেফতার করতে পারেননি বলেও ক্ষোভপ্রকাশ করেন হাসনাত।
অন্যদিকে পুলিশ সদস্যদের বলতে শোনা যায়, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিয়েছেন। এসময় এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পুলিমের সদস্যদের সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে দেখা যায়।
হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’য় হামলার প্রতিবাদে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনে ১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই সেখানে যাচ্ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। দলটির মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত বলেন, মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে এনসিপি নেতৃবৃন্দের গাড়ি আটকে দিয়েছে পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রদল, যুবদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ। হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তারই প্রতিবাদে বুধবার (২৯ জুলাই) হবিগঞ্জসহ সারাদেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি। পাল্টা কর্মসূচি দেয় ছাত্রদল-যুবদলও। ফলে জেলায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। এই অবস্থায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 

















