ঢাকা, রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
আপডেট : ৫ জুলাই, ২০১৯ ১৯:০৭

সড়ক ও সেতু ভাঙ্গন এর ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

সিদ্দিকুর রহমান সুমন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):
সড়ক ও সেতু ভাঙ্গন এর ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আষাঢ় মাসে আশানুরূপ বৃষ্টি না হলেও উজানের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বর্ষা শুরু হতে না হতেই বংশাই নদীর ফতেপুর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে পাকা রাস্তা এবং সেতু ও কালভার্ট ভেঙে মির্জাপুর-ফতেপুর-বাসাইল সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ঐ পথ ধরে চলাচলকারী লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মির্জাপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র মহিবুল ইসলাম, হিলড়া আদাবাড়ি মোকছেদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মিজানুর রহমান ও ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমিনা পারভীন জানায়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় খবর ছাপা হলে রাজনৈতিক দলের নেতা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এলাকায় আনাগোনা বেড়ে যায়। কর্মকর্তারা ভাঙন প্রতিরোধে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তারপর আর উন্নয়নের খবর থাকে না। এভাবেই চলছে যুগের পর যুগ। বংশাই নদীর হিলড়া আদাবাড়ি বাজার, কুরনী-ফতেপুর-বাসাইল রাস্তা, ফতেপুর বাজার, ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, থলপাড়া, ঘোনাপাড়া, চাকলেশ্বর, গোড়াইল, গাড়াইল, ত্রিমোহন, বান্দরমারাসহ বিভিন্ন এলাকার পাকা-আধা পাকা রাস্তা, ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির সম্মুখীন। যে কোনো মুহূর্তে ফতেপুর বাজার, ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হিলড়া আদাবাড়ি বাজার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মির্জাপুর-পাথরঘাটা রোডের ত্রিমোহন বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলার ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুল রউফ মিয়া বংশাই নদী ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন, বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়ে যায়। ইতোমধ্যে কুরনী-ফতেপুর-বাসাইল রোডের হিলড়া আদাবাড়ি এলাকায় পাকা রাস্তা এবং কালভার্ট ভেঙে নদীতে পড়েছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া ফতেপুর বাজার, ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাকলেশ্বর, থলপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভাঙন প্রতিরোধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় এমপি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রকৌশল অফিসসহ(এলজিইডি) বিভিন্ন অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।

উপরে